রং, দেয়াল ও সিলিং১০ মিনিটনিজে করা যায়

দেয়াল ও সিলিং নতুন করে রং: যে প্রস্তুতিতে রং টেকে

নতুন রং কয়েক মাসের মধ্যে ফুলে উঠলে, খসে পড়লে বা কালো হয়ে গেলে কারণটা প্রায় সবসময় থাকে রঙের নিচে। ফ্ল্যাটের দেয়াল ও সিলিং কীভাবে প্রস্তুত করলে রং টেকসই হয়, এই নির্দেশিকায় তা দেখানো হয়েছে।

সংক্ষেপে

রং তাড়াতাড়ি নষ্ট হওয়ার বেশিরভাগ কারণ স্যাঁতসেঁতে ভাব, ছত্রাক, আলগা পুরোনো রং, অথবা খুব তাড়াতাড়ি নতুন প্লাস্টারে রং করা। আগে কারণটি সারান: লিক বন্ধ করুন, দেয়াল শুকাতে দিন এবং ছত্রাক পরিষ্কার করুন, কারণ ছত্রাকের ওপর দেওয়া রং খসে পড়ার সম্ভাবনা বেশি।[9]

চেঁছে, ভরাট করে ও ঘষে মসৃণ করুন, খালি প্লাস্টারে অ্যালকালি-প্রতিরোধী প্রাইমার দিন, তারপর দুটি ফিনিশ কোট দিন। বাথরুম ও রান্নাঘরে ছত্রাক-প্রতিরোধী রং ব্যবহার করুন।[1][4]

রং করার সময় জানালা খোলা রাখুন, কারণ রঙের দ্রাবক বাষ্প ঘরের ভেতরে জমে।[10] বয়স অজানা পুরোনো রং শুকনো অবস্থায় ঘষবেন না, আর স্টেপ-ল্যাডারের একেবারে ওপরের ধাপগুলোতে দাঁড়াবেন না।

সাধারণ যন্ত্রপাতি দিয়ে বেশিরভাগ কাজ নিজে করা যায়।

ঢাকার ফ্ল্যাটে নতুন করে রং করা সাধারণত কোনো সমস্যার পরে আসে: বর্ষার পর সিলিংয়ে দাগ, আলমারির পেছনে খসে পড়া রং, বাথরুমে কালো ছোপ। রং একটি পাতলা আবরণ, যা কেবল শুকনো, পরিষ্কার, মজবুত ও সিল করা পৃষ্ঠেই টিকে থাকে; তাই ভালো রঙের কাজের বেশিরভাগটাই হয় প্রথম কোটের আগে।

রং কেন তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়: সাধারণ কারণগুলো

  • রঙের পেছনে আর্দ্রতা। ডুলাক্স (Dulux) খসে পড়া রঙের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে ক্ষয়ে যাওয়া জোড় দিয়ে চুইয়ে আসা পানি এবং ছাদ বা দেয়ালের লিককে উল্লেখ করেছে।[7]
  • ছত্রাক না সরিয়ে তার ওপর রং করা, যাতে ছত্রাক ফিরে আসার সম্ভাবনা বাড়ে।[8]
  • খুব তাড়াতাড়ি নতুন প্লাস্টারে রং করা। নতুন সিমেন্ট প্লাস্টার ভেজা ও ক্ষারীয় (alkaline); উপযুক্ত প্রাইমার না দিলে কংক্রিট ও ইটের লবণ রঙের সঙ্গে বিক্রিয়া করতে পারে।[3]
  • আলগা, গুঁড়ো বা চকচকে পুরোনো রং, কিংবা রান্নাঘরের তেল-চর্বি। নতুন রং নিচের স্তরের মতোই শক্তভাবে লেগে থাকে।[6]
  • ঘরের জন্য ভুল রং। বাথরুম ও রান্নাঘর দিনে কয়েক ঘণ্টা আর্দ্র থাকে, আর সাধারণ ইমালশন (emulsion) সেখানে ছত্রাক ঠেকাতে নাও পারে।[4]
  • প্রাইমার না দেওয়া বা রং বেশি পাতলা করা। ছিদ্রযুক্ত প্লাস্টার রং অসমানভাবে শুষে নেয়,[3] আর বেশি পাতলা বা বেশি টেনে লাগানো রঙের আবরণ খুব পাতলা হয়।[1]

রং করার আগে যে সতর্ক-সংকেতগুলো বুঝে নেবেন

পুরোনো রং আপনাকে কী বলছে
লক্ষণসম্ভাব্য কারণপ্রথম কাজ
সিলিংয়ে বাদামি বা হলুদ বৃত্তাকার দাগওপরের ফ্ল্যাট, ছাদ বা কোনো পাইপ থেকে লিকলিক বন্ধ করুন; স্ল্যাব পুরোপুরি শুকাতে দিন
রং ফুলে ওঠা, ফোসকা পড়া বা খসে পড়াপেছন থেকে আর্দ্রতা বা লবণের চাপ, অথবা ধুলো বা তেলযুক্ত পৃষ্ঠ[7]কারণ খুঁজুন, তারপর শক্ত কিনারা পর্যন্ত চেঁছে তুলুন
কালো, সবুজ বা ধূসর ছোপস্যাঁতসেঁতে পৃষ্ঠে ছত্রাক[8]পরিষ্কার করুন, শুকান এবং বাতাস চলাচল বাড়ান
প্লাস্টারে সাদা, তুলার মতো দানাআর্দ্রতার সঙ্গে বেরিয়ে আসা লবণ (এফ্লোরেসেন্স, efflorescence)শুকনো অবস্থায় ব্রাশ করে তুলুন এবং আর্দ্রতার উৎস সারান
চুলের মতো সূক্ষ্ম ফাটলপ্লাস্টার বা পুটির সংকোচনভরাট করে ঘষে নিন; বড় হচ্ছে কি না লক্ষ রাখুন
চওড়া, কোনাকুনি বা বারবার ফিরে আসা ফাটলকাঠামোতে নড়াচড়ার সম্ভাবনাশুধু ভরাট করবেন না; আগে পরামর্শ নিন

ডুলাক্স পানির দাগ এবং ফুলে ওঠা বা খসে পড়া রংকে লুকানো আর্দ্রতা ও ছত্রাকের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে ধরে।[8] এগুলো দেখলে রং করা আপাতত বন্ধ রাখুন।

আগে স্যাঁতসেঁতে ভাব, লিক ও ছত্রাক সারান

রং পানি আটকায় না। ঢাকার অনেক ভবনে স্যাঁতসেঁতে ভাব আসে ওপরের ফ্ল্যাটের বাথরুমের লিক, বর্ষায় বাইরের দেয়াল ও জানালা দিয়ে চুইয়ে আসা পানি, ওপরতলায় ছাদ, কিংবা ঘনীভবন (condensation) থেকে। এগুলো কীভাবে আলাদা করে চিনবেন তা আছে স্যাঁতসেঁতে দেয়াল ও পানি চুইয়ে পড়া নির্দেশিকায়, আর সিলিংয়ের দাগের সবচেয়ে সাধারণ উৎস নিয়ে আছে বাথরুমের পানি লিক খোঁজার নির্দেশিকায়।

রং করার আগে করণীয় ঠিক করার ফ্লোচার্ট: হ্যাঁ-না ধরনের তিনটি প্রশ্ন—পৃষ্ঠ ভেজা কি না, ছত্রাক আছে কি না, ফাটল গুরুতর কি না—থেকে লিক সারানো, ছত্রাক পরিষ্কার, পেশাদার পরামর্শ বা প্রস্তুতি নিয়ে রং করার সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়।
চিত্র 1 রং করার আগে আর্দ্রতা, ছত্রাক ও ফাটল যাচাই করুন। সবুজ টিক মানে হ্যাঁ, লাল ক্রস মানে না; হীরক আকৃতির ঘরগুলো প্রশ্ন, আয়তাকার ঘরগুলো করণীয়।
  1. আপনি একটি সমস্যা লক্ষ করলেন: দাগ, ফুলে ওঠা বা খসে পড়া রং, ছত্রাক বা ফাটল
  2. পৃষ্ঠটি কি এখন ভেজা, বা দাগটি কি বাড়ছে?
  3. পানির উৎস খুঁজে বের করে সারান: লিক, ছাদ, বাইরের দেয়াল বা ঘনীভবন
  4. দেয়াল বা সিলিং পুরোপুরি শুকাতে দিন; সম্ভব হলে আর্দ্রতা মেপে নিশ্চিত হোন
  5. পৃষ্ঠে কি ছত্রাকের ছোপ আছে?
  6. ছত্রাক ধুয়ে পরিষ্কার করুন, শুকান এবং বাতাস চলাচল বাড়ান
  7. কোনো ফাটল কি চওড়া, কোনাকুনি বা ভরাটের পর আবার খুলে যায়?
  8. রং করার আগে পেশাদার পরামর্শ নিন
  9. প্রস্তুতি নিন ও রং করুন: চাঁছা, ভরাট, ঘষা, প্রাইমার, তারপর ফিনিশ কোট
RUAP.NET-এর জন্য আঁকা মৌলিক চিত্র

মার্কিন পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা ইপিএ (EPA) বলে, রং করার আগে পানির সমস্যা সারান, ছত্রাক পরিষ্কার করুন ও পৃষ্ঠ শুকিয়ে নিন, কারণ ছত্রাকের ওপর দেওয়া রং খসে পড়ার সম্ভাবনা বেশি। প্রায় ১০ বর্গফুটের (মোটামুটি ১ বর্গমিটার) বেশি জায়গায় ছত্রাক থাকলে সংস্থাটি পেশাদারের সাহায্য নিতে বলে, আর ব্লিচের সঙ্গে অ্যামোনিয়াযুক্ত ক্লিনার কখনো মেশাতে নিষেধ করে।[9] আরও দেখুন বাথরুমে ছত্রাক প্রতিরোধের উপায়।

মেরামতের পর দেয়ালকে শুকানোর সময় দিন; বর্ষায় ভেজা স্ল্যাব শুকাতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। বার্জারের (Berger) পুটির নির্দেশনায় আর্দ্রতা মিটারে মাপা আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ১৫% রাখতে বলা হয়েছে।[2] মিটার না থাকলে দাগ বদলানো বন্ধ হওয়া এবং প্লাস্টার সব জায়গায় সমানভাবে শুকনো দেখানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

সিলিংয়ের দাগ ও ফাটল

সাধারণ ইমালশনের ভেতর দিয়ে পানির দাগ সাধারণত ফুটে ওঠে, তাই সিলিং শুকালে স্টেইন-ব্লকিং (stain-blocking) প্রাইমার দিয়ে দাগ সিল করুন; ডুলাক্সের মতো নির্মাতারা সিলিংয়ের রঙের সঙ্গে এমন প্রাইমার রাখে। পুরো সিলিং রং করুন, কারণ ছোট অংশে টাচ-আপ করলে ছোপ ছোপ ভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে।[5] ওপরতলার সিলিং হলে ছাদকে সন্দেহ করুন: দেখুন বর্ষার আগে ছাদ পরিদর্শনের উপায়।

এশিয়ান পেইন্টস (Asian Paints) ৩ মিমি পর্যন্ত ফাটলে ক্র্যাক ফিলার এবং গর্তে পুটি অথবা ১:৩ অনুপাতে সাদা সিমেন্ট ও মিহি বালির মিশ্রণের পরামর্শ দেয়।[1] চওড়া, কোনাকুনি বা আবার খুলে যাওয়া ফাটল কাঠামোর নড়াচড়ার ইঙ্গিত হতে পারে; এগুলোর ওপর রং করার আগে পড়ুন কোন ফাটলে পেশাদার পরিদর্শন দরকার।

পুরোনো রং, সিসা ও ধুলো

পুরোনো রং চাঁছলে ও ঘষলে মিহি ধুলো তৈরি হয়। ইপিএ সতর্ক করে যে পুরোনো রঙে হাত পড়ে এমন কাজে প্রচুর সিসার (lead) ধুলো ছড়াতে পারে, আর সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকে ছোট শিশুরা;[11] বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলে, সিসার এমন কোনো মাত্রা জানা নেই যা নিরাপদ।[12] বাংলাদেশে রঙে সিসার সীমা ৯০ পিপিএম, এবং বড় নির্মাতারা মোটামুটি তা মানে বলে জানা যায়; তবে ইএসডিও (ESDO)-র ২০২৬ সালের গবেষণায় ১৬১টি নমুনার ৬৮টিতে সীমার বেশি সিসা পাওয়া গেছে, বিশেষ করে স্প্রে ও শিল্প-কাজের রং এবং ছোট উৎপাদকদের পণ্যে।[13]

  • উৎস অজানা পুরোনো রং শুকনো অবস্থায় ঘষবেন না, পোড়াবেন না বা তাপ দিয়ে তুলবেন না। ঘষতেই হলে আগে পৃষ্ঠ ভিজিয়ে নিন, যতটুকু দরকার ততটুকুই ঘষুন এবং পরে ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।[11]
  • শিশু ও গর্ভবতী নারীদের দূরে রাখুন, আর ঝাড়ু নয়, ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন।
  • বড় জায়গার পুরোনো রং নিজে তুলবেন না; ইপিএ সিসাযুক্ত রং নিজে অপসারণ না করার পরামর্শ দেয়।[11]
  • প্রতিষ্ঠিত নির্মাতার এমন ডেকোরেটিভ রং কিনুন যাতে সিসা যোগ করা হয়নি বলে লেখা থাকে, যেমন এশিয়ান পেইন্টসের প্রাইমারের ডেটা শিটে আছে,[1] আর ঘরের ভেতরে শিল্প-কাজের বা স্প্রে রং এড়িয়ে চলুন।[13]

যন্ত্রপাতি ও উপকরণ

  • মেঝে ঢাকার কাপড়, মাস্কিং টেপ, এবং যে ফিটিং ও আসবাব সরানো যায় না সেগুলো ঢাকার প্লাস্টিক।
  • স্ক্র্যাপার, তারের ব্রাশ, মাঝারি ও মিহি শিরিষ কাগজ এবং একটি স্যান্ডিং ব্লক।
  • দেয়াল ধোয়ার জন্য বালতি, স্পঞ্জ এবং হালকা ডিটারজেন্ট বা সুগার সোপ (sugar soap)।[6]
  • ওয়াল পুটি, ক্র্যাক ফিলার ও পুটি-ছুরি।[1]
  • খালি প্লাস্টারের জন্য অ্যালকালি-প্রতিরোধী সিমেন্ট প্রাইমার, আর পানির দাগের জন্য স্টেইন-ব্লকিং প্রাইমার।[1]
  • ঘরের ভেতরের ইমালশন; বাথরুম ও রান্নাঘরের জন্য ছত্রাক-প্রতিরোধী।[4]
  • ব্রাশ, রোলার, ট্রে ও এক্সটেনশন পোল; বেশিরভাগ সিলিংয়ের জন্য ডুলাক্স ১০–১৮ মিমি ন্যাপের রোলারের পরামর্শ দেয়।[5]
  • ভালো অবস্থার স্টেপ-ল্যাডার, সুরক্ষা চশমা, গ্লাভস ও ডাস্ট মাস্ক।[1]

নতুন প্লাস্টার: অপেক্ষা করুন, তারপর প্রাইমার দিন

এশিয়ান পেইন্টস প্রাইমার দেওয়ার আগে নতুন গাঁথনিকে ২৮ দিন কিউরিং (curing) হতে দিতে বলে,[1] আর বার্জার ভালো ফলের জন্য অন্তত দুই মাস শুকাতে দিতে বলে, জরুরি প্রয়োজনে সর্বনিম্ন ১৫ দিন।[2] আপনার পণ্যের ডেটা শিট মেনে চলুন, আর বর্ষায় আরও বেশি সময় দিন।

সিমেন্ট প্রাইমার ছিদ্রযুক্ত, ক্ষারীয় প্লাস্টারকে সিল করে, ফলে ফিনিশ কোট সমানভাবে শুকায় এবং ক্ষারের আক্রমণ ঠেকায়।[1][3] একটি নির্মাতার ধাপগুলো হলো: ঘষা, প্রাইমার, পুটি, আবার ঘষা, আবার প্রাইমার, হালকা ঘষা, তারপর ফিনিশ কোট।[1] পুরোনো দেয়ালে নতুন প্লাস্টার বা ফিলারের জোড়াতালিও একইভাবে প্রস্তুত করুন, নইলে সেগুলো নিষ্প্রভ ছোপ হয়ে দেখা দেবে।

দেয়ালের রঙের স্তরগুলোর ধাপে ধাপে খোলা প্রস্থচ্ছেদ: ইটের গাঁথনি, সিমেন্ট প্লাস্টার, প্রথম প্রাইমার, পুটি, দ্বিতীয় প্রাইমার ও দুটি ফিনিশ কোট; প্লাস্টার থেকে ওঠা আর্দ্রতা ও ক্ষার প্রাইমারে আটকে যাচ্ছে।
চিত্র 2 একটি সাধারণ ভেতরের দেয়ালের রঙের ব্যবস্থা, দেয়াল থেকে বাইরের দিকে। প্রতিটি স্তর আগেরটি শুকানো ও ঘষার পর দেওয়া হয়।
  1. ইট বা কংক্রিটের গাঁথনি
  2. সিমেন্ট প্লাস্টার: নতুন অবস্থায় ভেজা ও ক্ষারীয়, তাই কিউরিং ও শুকানোর সময় দরকার
  3. প্রথম কোট অ্যালকালি-প্রতিরোধী সিমেন্ট প্রাইমার, যা ছিদ্রযুক্ত প্লাস্টারকে সিল করে
  4. ছোট গর্ত ভরাট ও দেয়াল মসৃণ করার পুটি, শুকানোর পর ঘষা হয়
  5. পুটির ওপর দ্বিতীয় কোট প্রাইমার, তারপর হালকা ঘষা
  6. দুটি ফিনিশ কোট ইমালশন
  7. প্লাস্টার থেকে ওঠা আর্দ্রতা ও ক্ষার প্রাইমারে আটকে যায়
  8. শেষ ফিনিশ কোট দিচ্ছে রোলার
  9. কাজের ক্রম: দেয়াল থেকে বাইরের দিকে, প্রতিটি স্তর আগেরটি শুকানোর পর
RUAP.NET-এর জন্য আঁকা মৌলিক চিত্র

ধাপে ধাপে: একটি ঘর নতুন করে রং করা

  1. নিশ্চিত হোন যে লিক মেরামত হয়েছে, স্যাঁতসেঁতে ভাব শুকিয়েছে এবং ছত্রাক পরিষ্কার করা হয়েছে।[9]
  2. ঘর খালি করুন এবং যা থাকে তা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন।[6]
  3. সুইচ ও সকেটের চারপাশে মাস্কিং টেপ দিন। কভার প্লেট খুললে আগে ব্রেকারে সেই সার্কিট বন্ধ করুন।
  4. আলগা রং শক্ত কিনারা পর্যন্ত চেঁছে তুলুন।[7]
  5. গর্ত ও ফাটল ভরাট করুন, শুকাতে দিন এবং ঘষে মসৃণ করুন।[6]
  6. চকচকে জায়গা ঘষে ম্যাট করুন, তারপর তেল ও ধুলো ধুয়ে দেয়াল শুকাতে দিন।[6]
  7. খালি প্লাস্টার, জোড়াতালি ও দাগে প্রাইমার দিন। এশিয়ান পেইন্টস ২৫ °সে. ও ৫০% আর্দ্রতায় প্রাইমারের দুই কোটের মাঝে ৩–৪ ঘণ্টার কথা বলে; আর্দ্র আবহাওয়ায় সময় বেশি লাগতে পারে।[1]
  8. কিনারায় মাস্কিং টেপ লাগিয়ে শক্ত করে চেপে দিন।[6]
  9. আগে সিলিং রং করুন। ব্রাশ দিয়ে কিনারা রং করুন (cutting in), তারপর কিনারা ভেজা থাকতেই প্রায় এক মিটার চওড়া অংশে রোলার চালান।[5]
  10. প্রথম কোট শুকালে দ্বিতীয় কোট দিন; অনেক ইমালশন দুই কোটের জন্যই তৈরি।[4]
  11. রং পুরোপুরি শুকানোর আগে টেপ কোণ করে টেনে তুলুন।[6]
  12. ঘরে বাতাস চলাচল রাখুন, আর বাড়তি রং কখনো ড্রেনে ঢালবেন না।[1][10]

সিলিংয়ে এক কোণ থেকে শুরু করে আগে আড়াআড়ি, তারপর নিচের দিকে এগোন। ডুলাক্স প্রতিটি অংশ শেষে লেয়িং অফ (laying off) করার পরামর্শ দেয়: রং না নেওয়া রোলার চাপ ছাড়া একই দিকে টেনে নেওয়া।[5]

ওপর থেকে দেখা একটি ঘরের সিলিং, যেখানে কিনারা ও লাইট ফিটিংয়ের চারপাশে ব্রাশে রং করা ব্যান্ড, এক কোণ থেকে শুরু, এক মিটারের অংশে রোলার চালানো, ভেজা কিনারা এবং একই দিকে লেয়িং অফ করা অংশ দেখানো হয়েছে।
চিত্র 3 সিলিং অংশ অংশ করে রং করুন এবং কিনারা ভেজা রাখুন, যাতে জোড়ার দাগ না পড়ে।
  1. দেয়াল ও সিলিংয়ের সংযোগস্থলে ব্রাশে রং করা কিনারার ব্যান্ড (cutting in)
  2. লাইট ফিটিংয়ের চারপাশে ব্রাশে রং করা বৃত্ত
  3. এক কোণ থেকে শুরু করুন
  4. প্রায় এক মিটারের একটি অংশে রোলার চালানো হচ্ছে: আগে রং ছড়িয়ে দিন, তারপর অংশটি ভরিয়ে দিন
  5. ভেজা কিনারা: পরের অংশ এর ওপর মেশানোর আগে যেন না শুকায়
  6. শেষ হওয়া অংশ, রং না নেওয়া রোলার দিয়ে চাপ ছাড়া একই দিকে লেয়িং অফ করা
  7. কাজের ক্রম: আগে আড়াআড়ি, তারপর পরের সারিতে নিচের দিকে
RUAP.NET-এর জন্য আঁকা মৌলিক চিত্র
বিজ্ঞাপন

বাথরুম, রান্নাঘর ও সিলিংয়ের জন্য রং বাছাই

রং-নির্মাতারা এমন ফিনিশ বিক্রি করে যার শুকনো আবরণ ছত্রাক প্রতিরোধ করে। জোটান (Jotun) তাদের Fenomastic Hygiene ইমালশনকে আর্দ্র রান্নাঘর ও বাথরুমের উপযোগী বলে বর্ণনা করেছে,[4] আর ডুলাক্স ছত্রাক-প্রতিরোধী কিচেন-অ্যান্ড-বাথরুম দেয়াল ও সিলিংয়ের রং বিক্রি করে।[5][8] রং বাতাস চলাচলের বিকল্প নয়: কাজ করা এগজস্ট ফ্যান বা জানালা না থাকলে ছত্রাক ফিরে আসে। এশিয়ান পেইন্টস প্রায় ছয় মাস পরপর রং করা পৃষ্ঠ থেকে ছত্রাক ধুয়ে ফেলার পরামর্শ দেয়।[1]

  • শোবার ও বসার ঘর: সাধারণ ইমালশন; ম্যাট বা লো-শিন ফিনিশ ছোট খুঁত ঢেকে রাখে।
  • রান্নাঘর: কিছুটা চকচকে, ধোয়া যায় এমন ইমালশন, যা সহজে মোছা যায়।
  • বাথরুম ও তার সিলিং: ছত্রাক-প্রতিরোধী ইমালশন।[4]

বাতাস চলাচল, ভিওসি ও মই-নিরাপত্তা

রং থেকে উদ্বায়ী জৈব যৌগ বা ভিওসি (VOC) বের হয়, অর্থাৎ এমন দ্রাবক যা রং শুকানোর সময় বাষ্প হয়ে যায়। ইপিএ বলে, ব্যবহারের সময় ঘরের ভেতরে এর মাত্রা অনেক বেশি হতে পারে এবং পরেও থেকে যেতে পারে, যা চোখ, নাক ও গলায় জ্বালা, মাথাব্যথা বা বমিভাব ঘটাতে পারে। সংস্থাটি প্রচুর খোলা বাতাস, লেবেলের সতর্কতা মানা, যতটুকু দরকার ততটুকু কেনা এবং মিথিলিন ক্লোরাইডযুক্ত পেইন্ট স্ট্রিপার কেবল বাইরে বা ভালো বাতাস চলাচলে ব্যবহারের পরামর্শ দেয়।[10] সদ্য রং করা ঘর থেকে শিশু ও হাঁপানি রোগীদের দূরে রাখুন।

স্টেপ-ল্যাডারে নিরাপদে রং করার পাশ থেকে দেখা ছবি: ওপরের তিনটি ধাপ চিহ্নিত, লকিং বার আটকানো, চারটি পা সমতল মেঝেতে, মানুষটি দেয়ালের দিকে মুখ করে এক হাতে মই ধরে আছে; পাশে সামনে থেকে দেখা ছবিতে শরীর মইয়ের দুই পাশের খুঁটির ভেতরে রাখা ঠিক আর বাইরে ঝুঁকে পড়া ভুল দেখানো হয়েছে।
চিত্র 1 স্টেপ-ল্যাডারে নিরাপদে রং করা। সবুজ টিক মানে নিরাপদ, লাল ক্রস মানে বিপজ্জনক।
  1. উপযুক্ত হাতল না থাকলে ওপরের তিনটি ধাপে দাঁড়াবেন না
  2. লকিং বার বা স্প্রেডার পুরোপুরি খোলা ও আটকানো
  3. চারটি পা-ই শক্ত, সমতল মেঝেতে
  4. কাজের দিকে মুখ করুন এবং রোলার সহজ নাগালের মধ্যে রাখুন
  5. এক হাতে মই ধরে রাখুন: দুই পা ও এক হাত মিলে তিনটি সংস্পর্শবিন্দু
  6. শরীর মইয়ের দুই খুঁটির মাঝে রাখুন; বাইরে ঝুঁকবেন না, বরং মই সরিয়ে নিন
RUAP.NET-এর জন্য আঁকা মৌলিক চিত্র

সাধারণ ভুল ও সমস্যা সমাধান

  • লিক সারানোর আগেই দাগের ওপর রং করা।[7]
  • ছত্রাক না সরিয়ে তার ওপর রং করা।[9]
  • ডেটা শিট না দেখে পুরোনো ইমালশনের ওপর পুটি লাগানো; কিছু সিমেন্টভিত্তিক পুটি সেখানে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।[2]
  • সিলিংয়ের একাংশে টাচ-আপ করা, অথবা দুই অংশের মাঝে কিনারা শুকিয়ে যেতে দেওয়া।[5]
  • ধুলো আটকাতে ঘর বন্ধ রাখা, ফলে দ্রাবকের বাষ্প জমে যায়।[10]

নতুন রং কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফুলে উঠলে একটু জায়গা চেঁছে দেখুন। পেছনে ভেজা প্লাস্টার বা লবণের দানা থাকলে কারণ আর্দ্রতা; ধুলো বা তেল থাকলে কারণ দুর্বল প্রস্তুতি। দুই ক্ষেত্রেই নষ্ট রং তুলে ফেলুন, কারণ সারান এবং নতুন করে শুরু করুন।[7]

নিজে করবেন, নাকি পেশাদার ডাকবেন?

কোন কাজ কে করবেন
কাজনিজে করা যায়?পেশাদার ডাকুন যখন
মজবুত, শুকনো দেয়াল নতুন করে রং করাহ্যাঁবড় জায়গায় নিখুঁত ফিনিশ চান
বাথরুমে ছোট জায়গায় ছত্রাকহ্যাঁ, বাতাস চলাচল ঠিক করার পরপ্রায় ১ বর্গমিটারের বেশি জায়গায়, বা বারবার ফিরে আসে[9]
ওপরের ফ্ল্যাট থেকে আসা সিলিংয়ের দাগলিক সারানোর পরেই কেবলউৎস অস্পষ্ট বা ভবনের সাধারণ পাইপে
বয়স অজানা পুরোনো রং ঘষাপরামর্শ দেওয়া হয় নাশিশু থাকে বা সিসা থাকার সম্ভাবনা আছে[11]
উঁচু সিলিং, সিঁড়িঘর, বাইরের দেয়ালনাসবসময়; প্ল্যাটফর্ম, ভারা বা ঠিকাদার লাগে

নতুন করে রং করার খরচ কীসের ওপর নির্ভর করে

বাংলাদেশে রং করার কাজের নির্ভরযোগ্য প্রকাশিত দাম আমরা পাইনি, তাই কোনো অঙ্ক দেওয়া হলো না। খরচ নির্ভর করে আয়তন ও উচ্চতা (সিলিং ও সিঁড়িঘরে বেশি সময় লাগে), দেয়ালের অবস্থা (চাঁছা ও পুটির কাজে রং করার চেয়েও বেশি সময় লাগতে পারে), আগে করতে হবে এমন স্যাঁতসেঁতে ভাবের মেরামত, প্রাইমার, পুটি ও ফিনিশ কোটের সংখ্যা, রঙের মান, এবং কতটা আসবাব রক্ষা করতে হবে তার ওপর। অন্তত দুজন রংমিস্ত্রির কাছ থেকে প্রস্তুতি, পণ্য ও কোটের সংখ্যা লেখা লিখিত কোটেশন নিন; দেখুন মেরামতের কোটেশন নেওয়া ও তুলনা করা।

প্রতিরোধ: নতুন রং ভালো রাখার উপায়

রঙের যত্নের চেকলিস্ট
  • ভারী বৃষ্টির পর: সিলিং ও বাইরের দেয়ালে নতুন দাগ বা ফুলে ওঠা খুঁজুন।
  • প্রতি মাসে: ব্যবহারের সময় ও পরে বাথরুম ও রান্নাঘরের এগজস্ট ফ্যান চালান।
  • প্রতি মাসে: রান্নাঘরের দেয়ালের তেল ও ছিটা মুছে ফেলুন।
  • প্রতি ছয় মাসে: আর্দ্র ঘরের রং করা পৃষ্ঠ থেকে ছত্রাক বা শৈবাল ধুয়ে ফেলুন।[1]
  • বর্ষার আগে: ওপরের ফ্ল্যাটে লিক আছে কি না এবং ছাদ মেরামত নিয়ে কমিটির সঙ্গে কথা বলুন।
  • প্রতিটি রঙের ছোট, লেবেল দেওয়া, শক্ত করে বন্ধ একটি কৌটা শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।[10]
  • নতুন লিক সঙ্গে সঙ্গে সারান এবং ভেজা জায়গা ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শুকিয়ে ফেলুন।[9]

পরবর্তী করণীয়

  1. টর্চ হাতে প্রতিটি ঘর ঘুরে দাগ, খসে পড়া রং, ছত্রাক ও ফাটল লিখে রাখুন।
  2. আগে লিক ও স্যাঁতসেঁতে ভাব সারান, এবং পৃষ্ঠ শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
  3. কোনটা নিজে করবেন ঠিক করুন, আর বাকিটার জন্য লিখিত কোটেশন নিন।
  4. প্রতিটি ঘরের উপযোগী প্রাইমার, পুটি ও রং কিনুন, সঙ্গে ভালো একটি স্টেপ-ল্যাডার।
  5. ভালোভাবে প্রস্তুতি নিন, তারপর জানালা খোলা রেখে আগে সিলিং ও পরে দেয়াল রং করুন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

নতুন প্লাস্টারে রং করার আগে কতদিন অপেক্ষা করব?
ডেটা শিট মেনে চলুন: এশিয়ান পেইন্টস ২৮ দিন কিউরিংয়ের পরামর্শ দেয়,[1] আর বার্জার ভালো ফলের জন্য অন্তত দুই মাস শুকাতে দিতে বলে, একেবারে সর্বনিম্ন ১৫ দিন।[2] বর্ষায় আরও বেশি সময় দিন।
সিলিংয়ের পানির দাগের ওপর কি সরাসরি রং করা যায়?
লিক সারানো ও সিলিং শুকানোর আগে নয়। আগে স্টেইন-ব্লকিং প্রাইমার দিয়ে দাগ সিল করুন,[5] কারণ ভেজা প্লাস্টারের ওপর রং খসে পড়ে।[7]
দেয়ালে আগে থেকেই রং থাকলে কি প্রাইমার লাগবে?
পুরোনো রং মজবুত ও পরিষ্কার হলে সাধারণত লাগে না; ধুয়ে হালকা ঘষে নিন। খালি জায়গায় প্রাইমার দিন, আর গাঢ় রং ঢাকতে বা কখনো প্রাইমার না দেওয়া পৃষ্ঠে আন্ডারকোট দিন।[6]
বাথরুমের জন্য সবচেয়ে ভালো রং কোনটি?
ঠিকমতো প্রস্তুত ও প্রাইমার দেওয়া দেয়ালে ছত্রাক-প্রতিরোধী ইমালশন, সঙ্গে কাজ করা এগজস্ট ফ্যান।[4] বাতাস চলাচল না থাকলে যেকোনো রঙেই ছত্রাক জন্মাবে।
পুরোনো সব রং কি চেঁছে তুলতে হবে?
না। শুধু আলগা, খসে পড়া বা গুঁড়ো রং শক্ত কিনারা পর্যন্ত তুলুন।[7] রং পুরোনো হলে এবং তাতে সিসা থাকতে পারলে ঘষার আগে ভিজিয়ে নিন এবং জায়গা ছোট রাখুন।[11]

তথ্যসূত্র

এই গাইডের তথ্যগুলো নিচের উৎসগুলো থেকে যাচাই করা হয়েছে।

  1. Decoprime Advanced Cement Primer - Water thinnable (product data sheet) — Asian Paints (প্রকাশিত Version VN16/10/2015). দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  2. Berger All Purpose Putty White (product data sheet) — Berger Paints Bangladesh. দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  3. Best Interior & Masonry Primers for a Durable Finish in Bangladesh — Asian Paints Bangladesh. দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  4. Fenomastic Hygiene — Jotun Bangladesh. দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  5. How to paint ceilings — Dulux Australia. দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  6. Prepare interior surfaces — Dulux Australia. দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  7. Paint peeling — Dulux Australia. দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  8. Treat and prevent mould from walls, ceilings and windows — Dulux Australia. দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  9. A Brief Guide to Mold, Moisture and Your Home — US Environmental Protection Agency (প্রকাশিত Last updated 18 February 2026). দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  10. Volatile Organic Compounds' Impact on Indoor Air Quality — US Environmental Protection Agency (প্রকাশিত Last updated 23 June 2026). দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  11. Reduce the Risk of Lead Exposure at Home — US Environmental Protection Agency (প্রকাশিত Last updated 5 October 2026). দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  12. Lead poisoning — World Health Organization (প্রকাশিত 10 June 2026). দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  13. Assessing Lead in Paints in Bangladesh: Evidence for Policy Action and Market Transformation — Environment and Social Development Organization (ESDO) (প্রকাশিত 28 March 2026). দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
  14. Safe use of ladders and stepladders: Types of ladder and using them safely — UK Health and Safety Executive (প্রকাশিত Updated 5 June 2024). দেখা হয়েছে ১৮ অক্টোবর ২০২৬.
একটি সতর্কতা

এই গাইড সাধারণ তথ্যের জন্য। গ্যাস, ভবনের কাঠামো বা চালু বিদ্যুৎ সংযোগে কাজ দক্ষ ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত পেশাদার দিয়ে করান। আপনার ভবনের নিয়ম বা কমিটির সিদ্ধান্ত এখানে লেখা কথার চেয়ে অগ্রাধিকার পাবে।

উদ্ধৃত সূত্রগুলোর ভিত্তিতে RUAP.NET সম্পাদকীয় দল এটি লিখেছে। কোনো লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রকৌশলী, প্লাম্বার বা ইলেকট্রিশিয়ান এটি পর্যালোচনা করেননি; গ্যাস, কাঠামো বা চালু বিদ্যুৎ-লাইনের কাজে যোগ্য পেশাদারের সাহায্য নিন।

কোনো ভুল চোখে পড়লে জানান — আমরা যাচাই করে সংশোধন করি এবং সংশোধনের তারিখ লিখে রাখি। ভুল জানান →

০২

সম্পর্কিত গাইড

বিজ্ঞাপন